বর্তমান সরকারের ভিশন বাস্তবায়নে কাজ করে যেতে চায়

০৪ জানুয়ারী ২০২০ ১৩:৩৪:৫৫
বর্তমান সরকারের ভিশন বাস্তবায়নে কাজ করে যেতে চায়
মো. হাফিজুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান-জীবননগর

জীবননগর উপজেলার সাধারণ মানুষের আশা-ভরসার প্রতিক মো. হাফিজুর রহমানের জন্ম ও বেড়ে ওঠা জীবননগর উপজেলার খয়েরহুদা গ্রামে। খয়েরহুদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবনের শুরু। এরপর যথাক্রমে মনোহরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি. ও দর্শনা সরকারি কলেজ হতে এইচ.এস.সি পাস করেন তিনি। পরবর্তীতে দর্শনা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ। এরপর দীর্ঘ ১৮ বছর জীবননগর উপজেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সভাপতি থাকা অবস্থায় তিনি সর্বপ্রথম ২০০৮ সালে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১৪ সালে পুণরায় ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। সবশেষ সতন্ত্র প্রার্থী হয়ে জনপ্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষ ভোটে ২০১৯ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এলাকার উন্নয়নে অনেক ভূমিকা রয়েছে তার। জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. হাফিজুর রহমান উপজেলার উন্নয়নসহ নানা প্রসঙ্গে কথা বলেছেন  ইতিহাস প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাৎকার নিয়েছে   এস. এইচ. সবুজ।

ইতিহাস প্রতিদিন: আপনার শৈশব কোথায় কেটেছে?

হাফিজুর রহমান: আমার শৈশবকাল কেটেছে চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার খয়েরহুদা গ্রামে।

ইতিহাস প্রতিদিন: আপনার শিক্ষা জীবন সম্বন্ধে কিছু বলুন?

হাফিজুর রহমান: খয়েরহুদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যাল থেকে আমার শিক্ষা জীবন শুরু হয়। এরপর যথাক্রমে মনোহরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এস. এস. সি. ও দর্শনা সরকারি কলেজ হতে এইচ. এস. সি. পাস করি।

ইতিহাস প্রতিদিন: রাজনীতিতে এলেন কিভাবে?

হাফিজুর রহমান: দর্শনা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করি। এরপর দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে জীবননগর উপজেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। থানা যুবলীগের দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নি এবং উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করি। ২০০৮ সালে সর্বপ্রথম উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করি। ২০১৪ সালে আবারো জনগনের অকৃত্রিম ভালবাসায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে জয়লাভ করি এবং দ্বিতীয়  মেয়াদে দায়িত্ব পালন করি। সবশেষ চলতি বছরের ২৩ শে মার্চ সর্বপ্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন পেতে ব্যর্থ হই।  কিন্তু হাল না ছেড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি এবং প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা মার্কার প্রর্থীকে বিপুল ভোটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হই।

ইতিহাস প্রতিদিন: আপনি আপনার এলাকা তথা উপজেলাকে কি রুপে গড়তে চান?

হাফিজুর রহমান: একজন নাগরিক গ্রামে অবস্থান করে শহরের মতো সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করবে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রম ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া ও গ্রামকে শহরে রুপান্তর করার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেওয়ার লক্ষ্যে আমার উপজেলাবাসিকে সাথে নিয়ে সম্মিলিভাবে কাজ করে যাবো।

ইতিহাস প্রতিদিন: এখন পর্যন্ত আপনি কি কি উন্নয়নমূলক কাজ করতে সফল হয়েছেন?

হাফিজুর রহমান: মসজিদ-মাদ্রাসা ও স্কুল-কলেজ নির্মাণ, রাস্তা ও কালভার্ট মেরামতসহ নানা ধরণের উন্নয়নমুলক কাজ করেছি। এছাড়াও নগরবাসির বিশুদ্ধ পানি সমস্যার সমাধান করা, পানির ড্রেন নিষ্কাশনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণসহ উপজেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে সফল হয়েছি।

ইতিহাস প্রতিদিন: আপনার অঙ্গিকার গুলো কি?

হাফিজুর রহমান: সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করে সুন্দর সুশৃঙ্খল পরিবেশ গড়ে তোলা, যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেশের বেকারত্ব দূর করা, উপজেলাকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সকল উদ্যোগ গ্রহণ করায় আমার অঙ্গিকার।

ইতিহাস প্রতিদিন: দেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর অক্লান্ত পরিশ্রমকে আপনি কিভাবে দেখছেন?

হাফিজুর রহমান: ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। তিনি ইতিমধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের রাষ্ট হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছেন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্টে পরিরণত করার যে স্বপ্ন দেখেছেন তা অবশ্যই সার্থক হবে। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের হাতেও বেশ কিছু উন্নয়নমূলক কাজ এসেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সুষ্ঠভাবে বাস্তবায়নে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বর্তমান সরকারের ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে কাজ করে যেতে চায়।

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন